ভোটে জয়ী হয়ে বন্ধুকে মিষ্টি খাওয়াতে গিয়ে 💯
সমীরের জয়
সমীর গ্রামের একটা ছোট্ট পঞ্চায়েতের নির্বাচনে দাঁড়িয়েছিল। তার দলের প্রতীক ছিল ধানের শীষ। সবাই বলত, এবার হারবে, কিন্তু সমীরের কঠোর পরিশ্রম আর গ্রামবাসীর সমর্থনের জোরে সে জিতে গেল। ভোটের ফলাফল ঘোষণা হতেই গ্রাম জুড়ে উল্লাস। সমীরের বাড়িতে লোকজনের ভিড়। সে ঠিক করল, জয়ের উদযাপনে সবাইকে মিষ্টি খাওয়াবে। বিশেষ করে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু অমিতের বাড়িতে গিয়ে প্রথম মিষ্টি দেবে, কারণ অমিতের বোন শ্রেয়া আর দিয়া তার ক্যাম্পেইনের অনেক সাহায্য করেছে।
সন্ধ্যাবেলা সমীর মিষ্টির বাক্স নিয়ে অমিতের বাড়ি পৌঁছল। অমিত তখন বাইরে, কিন্তু শ্রেয়া দরজা খুলে হাসিমুখে বলল, "দাদা, তুমি জিতেছ! আসো ভিতরে।" শ্রেয়া ২২ বছরের যুবতী, গ্রামের কলেজে পড়ে। তার পরনে একটা হালকা শাড়ি, যা তার কোমরের বাঁক আর স্তনের উঁচু অংশকে স্পষ্ট করে তুলেছে। সমীরের চোখ অসাবধানে সেদিকে চলে গেল, কিন্তু সে তাড়াতাড়ি সামলে নিল।
ভিতরে গিয়ে দেখল দিয়া, অমিতের ছোট বোন, ২০ বছরের। দিয়া আরও সাহসী, তার পরনে একটা টাইট টপ আর স্কার্ট, যা তার লম্বা পা আর গোলাকার নিতম্বকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। দিয়া বলল, "সমীরদা, তোমার জয়ের জন্য আমরা দুজনেই অনেক প্রচার করেছি। এখন মিষ্টি খাওয়াও।" সমীর হাসল, "হ্যাঁ, তোদের জন্যই তো জিতেছি। নে, প্রথমে তোরা খা।"
মিষ্টি খাওয়ানোর সময় শ্রেয়া একটা রসগোল্লা তুলে সমীরের মুখে দিল। তার আঙুল সমীরের ঠোঁটে লাগতেই একটা অদ্ভুত অনুভূতি হল। সমীরও একটা মিষ্টি তুলে শ্রেয়ার মুখে দিল, কিন্তু ইচ্ছে করে তার আঙুলটা একটু বেশি সময় ধরে রাখল। শ্রেয়ার চোখে একটা চকচকে দৃষ্টি। দিয়া দেখে হাসল, "আরে, আমাকেও দাও না!" সমীর দিয়ার মুখে মিষ্টি দিতে গেলে দিয়া তার হাতটা ধরে চেটে নিল। "উম্ম, কী মিষ্টি!" বলে সে চোখ মারল।
অমিত এখনও না ফেরায় তারা তিনজনেই বসে গল্প করতে লাগল। কথায় কথায় নির্বাচনের কথা থেকে ব্যক্তিগত কথায় চলে গেল। শ্রেয়া বলল, "সমীরদা, তুমি জিতলে আমাদের কী দেবে?" সমীর হাসল, "যা চাইবি।" দিয়া চোখ টিপে বলল, "সত্যি? তাহলে আমরা দুজনেই তোমার সঙ্গে একটা স্পেশাল সেলিব্রেশন চাই।" সমীরের হৃদয় দুরু দুরু করতে লাগল। সে বুঝল, এটা শুধু মিষ্টি খাওয়ানো নয়, আরও কিছু।
রাত গভীর হয়ে এল। অমিত ফোন করে জানাল, সে রাতে ফিরবে না, গ্রামের অন্য উদযাপনে আটকে গেছে। শ্রেয়া বলল, "তাহলে সমীরদা, তুমি এখানেই থেকে যাও। আমরা তিনজনে মিলে জয় উদযাপন করি।" সমীর রাজি হল। তারা ঘরের আলো কমিয়ে দিল, একটা হালকা মিউজিক চালাল। শ্রেয়া সমীরের পাশে বসে তার কাঁধে হাত রাখল। "দাদা, তুমি জানো, আমি তোমাকে কতটা পছন্দ করি?" সমীরের শরীর গরম হয়ে উঠল। সে শ্রেয়ার কোমর জড়িয়ে ধরল।
দিয়া উঠে এসে সমীরের অন্য পাশে বসল। "আমিও কম যাই না!" বলে সে সমীরের ঠোঁটে চুমু খেল। সমীর অবাক, কিন্তু তার শরীরের উত্তেজনা তাকে থামাল না। সে দিয়াকে জড়িয়ে ধরে তার ঠোঁট চুষতে লাগল। শ্রেয়া সমীরের গলায় চুমু দিতে শুরু করল। সমীরের হাত শ্রেয়ার শাড়ির নীচে চলে গেল, তার নরম স্তন স্পর্শ করল। শ্রেয়া আহ করে উঠল, "আহ দাদা, আস্তে।"
দিয়া সমীরের প্যান্টের জিপ খুলে তার লিঙ্গ বের করে নিল। "ওয়াও, কী বড়!" বলে সে হাত দিয়ে আদর করতে লাগল। সমীরের শরীর কাঁপছে। সে শ্রেয়ার শাড়ি খুলে ফেলল, তার নগ্ন শরীর দেখে তার উত্তেজনা বেড়ে গেল। শ্রেয়ার স্তন দুটো গোলাকার, স্তনবৃন্ত শক্ত হয়ে উঠেছে। সমীর একটা স্তন মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। শ্রেয়া হাঁপাতে লাগল, "আহ... দাদা... আরও জোরে।"
দিয়া নিজের কাপড় খুলে ফেলল। তার যোনি ইতিমধ্যে ভিজে গেছে। সে সমীরের লিঙ্গ মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। সমীরের মাথা ঘুরছে। সে দিয়ার মাথা ধরে আরও গভীরে ঢোকাল। দিয়া গোঙাতে লাগল, কিন্তু থামল না। শ্রেয়া নীচে নেমে দিয়ার যোনিতে আঙুল দিয়ে খেলতে লাগল। দিয়া চিৎকার করে উঠল, "আহ বোন, কী করছিস!"
সমীর উঠে শ্রেয়াকে বিছানায় শুইয়ে দিল। তার যোনিতে তার লিঙ্গ ঘষতে লাগল। শ্রেয়া কোমর তুলে বলল, "ঢোকাও দাদা, সহ্য হচ্ছে না।" সমীর এক ঠেলায় ভিতরে ঢুকিয়ে দিল। শ্রেয়া ব্যথায় চিৎকার করল, কিন্তু পরক্ষণেই আনন্দে হাঁপাতে লাগল। সমীর জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগল। শ্রেয়ার স্তন দুলছে, সে সমীরের পিঠে নখ বসিয়ে দিল। "আহ... দাদা... ফাটিয়ে দাও... আরও জোরে!"
দিয়া পাশে বসে নিজের যোনিতে আঙুল দিয়ে খেলছে। সমীর শ্রেয়াকে চুদতে চুদতে দিয়ার স্তন চুষতে লাগল। শ্রেয়া কয়েক মিনিট পরেই অর্গাজম পেল, তার যোনি থেকে রস বেরিয়ে এল। সমীর বের করে দিয়ার দিকে ঘুরল। দিয়াকে ডগি স্টাইলে নিয়ে তার নিতম্বে চাপড় মারল। "আহ দাদা, মারো না!" দিয়া বলল, কিন্তু তার চোখে কামনা। সমীর তার যোনিতে লিঙ্গ ঢোকাল, জোরে ঠাপ দিতে লাগল। দিয়ার নিতম্ব লাল হয়ে গেল চাপড়ে। সে চিৎকার করতে লাগল, "আহ... দাদা... চোদো আমাকে... তোমার বাঁড়াটা কী শক্ত!"
শ্রেয়া উঠে এসে দিয়ার মুখে তার যোনি ঘষতে লাগল। দিয়া শ্রেয়ার যোনি চাটতে লাগল। তিনজনের শরীর ঘামে ভিজে গেছে। সমীর দিয়াকে চুদতে চুদতে তার চুল ধরে টানল। দিয়া অর্গাজম পেল, তার যোনি সমীরের লিঙ্গকে চেপে ধরল। সমীর আর সহ্য করতে পারল না, বের করে শ্রেয়া আর দিয়ার মুখে তার বীর্য ছড়িয়ে দিল। দুজনেই চেটে নিল।
তারা তিনজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল। সমীর বলল, "এটা আমার জয়ের সেরা উপহার।" শ্রেয়া হাসল, "আরও অনেক জয় আসবে, দাদা।" দিয়া বলল, "আর প্রত্যেকবার এমন সেলিব্রেশন।" রাতটা তাদের কামনার আগুনে জ্বলে উঠল, আর ধানের শীষের জয় আরও মিষ্টি হয়ে উঠল।
সমীরের জয়ের পরবর্তী রাত
সকাল হয়েছে, কিন্তু সমীরের চোখ খোলার নাম নেই। শ্রেয়া আর দিয়া দুজনেই তার দু'পাশে নগ্ন অবস্থায় শুয়ে আছে। রাতের কামলীলা তাদের শরীরে এখনও ছাপ ফেলেছে—ঘামের গন্ধ, লাল দাগ, আর যোনির রসের চিহ্ন। সমীরের লিঙ্গ এখনও অর্ধশক্ত, রাতের বীর্যের অবশেষ লেগে আছে। শ্রেয়া প্রথম উঠল, তার চোখে একটা দুষ্টু হাসি। সে সমীরের বুকে হাত বোলাতে লাগল, ধীরে ধীরে নীচে নামতে থাকল। "দাদা, সকাল সকাল উঠে পড়ো। জয়ের উদযাপন তো শেষ হয়নি," বলে সে সমীরের লিঙ্গ ধরে আদর করতে শুরু করল।
সমীর চোখ খুলে দেখল শ্রেয়ার নগ্ন শরীর—তার স্তন দুটো সকালের আলোয় আরও আকর্ষণীয়, স্তনবৃন্ত শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সে শ্রেয়াকে জড়িয়ে ধরে তার ঠোঁট চুষতে লাগল। দিয়া জেগে উঠে দেখে হাসল, "আরে, আমাকে ছেড়ে দিয়ে শুরু করে দিলে?" সে উঠে এসে সমীরের পিঠে চুমু দিতে লাগল, তার হাত সমীরের নিতম্বে বোলাতে থাকল। সমীর দিয়াকে টেনে নিয়ে তার স্তন চুষতে শুরু করল। দিয়ার স্তন ছোট কিন্তু গোলাকার, সে আহ করে উঠল, "আহ দাদা, চোষো... জোরে চোষো।"
তিনজনে মিলে বিছানায় গড়াগড়ি খেতে লাগল। সমীর শ্রেয়াকে নীচে শুইয়ে তার যোনিতে মুখ দিল। শ্রেয়ার যোনি গোলাপি, রাতের রসে এখনও ভিজে। সমীর জিভ দিয়ে চাটতে লাগল, শ্রেয়া কোমর তুলে দিল, "আহ... দাদা... তোমার জিভটা কী ম্যাজিক! চাটো... গভীরে ঢোকাও।" দিয়া সমীরের লিঙ্গ মুখে নিয়ে চুষতে লাগল, তার মাথা ওঠানামা করছে। সমীরের লিঙ্গ পুরো শক্ত হয়ে গেছে, দিয়ার মুখে থুতু লেগে চকচক করছে। সে দিয়ার মাথা ধরে আরও গভীরে ঢোকাল, দিয়া গোঙাতে লাগল কিন্তু থামল না।
হঠাৎ দরজায় টোকা পড়ল। অমিত ফিরেছে? না, দরজা খুলে দেখা গেল সমীরের আরেক বন্ধু রোহিত এসেছে, জয়ের শুভেচ্ছা জানাতে। কিন্তু রোহিত ঘরে ঢুকে অবাক—তিনজন নগ্ন, বিছানায়। শ্রেয়া লজ্জায় চাদর টেনে নিল, কিন্তু দিয়া হাসল, "রোহিতদা, তুমিও জয়িন করো না। জয়ের উদযাপন চলছে।" রোহিত ২৫ বছরের যুবক, তার চোখে কামনা জ্বলে উঠল। সমীর হাসল, "আয় ভাই, তোর জন্যও মিষ্টি আছে।"
রোহিত কাপড় খুলে বিছানায় উঠল। তার লিঙ্গ ইতিমধ্যে শক্ত। সে শ্রেয়ার দিকে ঘুরল, তার স্তন ধরে চাপতে লাগল। শ্রেয়া আহ করে উঠল, "আহ রোহিতদা, আস্তে... তোমার হাতটা কী রুক্ষ!" রোহিত শ্রেয়ার যোনিতে আঙুল দিল, ভিতরে বোলাতে লাগল। শ্রেয়া হাঁপাতে লাগল, তার যোনি রসে ভরে গেল। সমীর দিয়াকে চুদতে শুরু করল, দিয়াকে কোলে তুলে নিয়ে তার যোনিতে লিঙ্গ ঢোকাল। দিয়া চিৎকার করল, "আহ দাদা, তোমার বাঁড়াটা আমার ভিতরে ফাটিয়ে দিচ্ছে... ঠাপাও জোরে!"
রোহিত শ্রেয়াকে ডগি স্টাইলে নিল। তার নিতম্ব উঁচু করে, রোহিত পিছন থেকে লিঙ্গ ঢোকাল। শ্রেয়া ব্যথায় আর আনন্দে চিৎকার করল, "আহ... রোহিতদা... তোমারটা কী মোটা! চোদো আমাকে... জোরে চোদো!" রোহিত তার চুল ধরে টেনে ঠাপ দিতে লাগল, তার নিতম্বে চাপড় মারতে লাগল। শ্রেয়ার নিতম্ব লাল হয়ে গেল, সে কাঁপতে লাগল। দিয়া সমীরের কোলে বসে উঠানামা করছে, তার স্তন দুলছে। সমীর তার স্তনবৃন্ত কামড়ে দিল, দিয়া চেঁচিয়ে উঠল, "আহ দাদা, কামড়াও... আমাকে তোমার দাসী বানাও!"
ঘরটা এখন কামনার আওয়াজে ভরে গেছে—ঠাপের শব্দ, হাঁপানো, চিৎকার। রোহিত শ্রেয়াকে চুদতে চুদতে তার যোনি থেকে লিঙ্গ বের করে দিয়ার মুখে দিল। দিয়া চুষতে লাগল, শ্রেয়ার রস লেগে আছে। সমীর উঠে শ্রেয়ার যোনিতে ঢোকাল, রোহিত দিয়াকে নিল। দুজনে মিলে মেয়েদের অদলবদল করতে লাগল। শ্রেয়া সমীরের লিঙ্গে উঠানামা করছে, তার যোনি সমীরের লিঙ্গকে চেপে ধরেছে। "আহ দাদা, তোমারটা আমার ভিতরে পুরো ঢুকেছে... ফাটিয়ে দাও আমার গুদটা!" শ্রেয়া বলল।
দিয়া রোহিতের নীচে শুয়ে তার লিঙ্গ নিচ্ছে, রোহিত জোরে জোরে ঠাপ দিচ্ছে। দিয়ার পা ছড়িয়ে, রোহিত তার ক্লিটরিসে আঙুল দিয়ে ঘষছে। দিয়া অর্গাজমের কাছে চলে এল, "আহ রোহিতদা... আসছে... আহহহ!" তার যোনি থেকে রস ছিটকে বেরোল, রোহিতের লিঙ্গ ভিজে গেল। সমীর শ্রেয়াকে আরও জোরে চুদল, শ্রেয়া তার পিঠে নখ বসিয়ে দিল, "দাদা... আমিও আসছি... তোমার সাথে মিলে!" শ্রেয়ার অর্গাজম হল, তার শরীর কাঁপতে লাগল।
রোহিত আর সমীর দুজনেই ক্লান্ত কিন্তু উত্তেজিত। তারা মেয়েদের সামনে দাঁড়াল, লিঙ্গ হাতে নাড়তে লাগল। শ্রেয়া আর দিয়া হাঁটু গেড়ে বসে দুজনের লিঙ্গ চুষতে লাগল। শ্রেয়া সমীরেরটা, দিয়া রোহিতেরটা। তারা জিভ দিয়ে চাটছে, বল চুষছে। সমীর আর সহ্য করতে পারল না, শ্রেয়ার মুখে বীর্য ছড়িয়ে দিল। শ্রেয়া গিলে নিল, কিছু তার স্তনে পড়ল। রোহিত দিয়ার মুখে দিল, দিয়া চেটে নিল।
সবাই ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়ল। রোহিত বলল, "সমীর, তোর জয়টা সত্যি অসাধারণ।" সমীর হাসল, "এটা তো শুরু, ভাই। গ্রামের আরও মেয়েরা আছে, যারা আমাদের সমর্থন করেছে। পরের উদযাপন আরও বড় হবে।" শ্রেয়া আর দিয়া হাসল, তাদের চোখে নতুন কামনা। রাতের জয় এখন দিনের আগুনে জ্বলতে শুরু করল, আর ধানের শীষের প্রতীক আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল।
কয়েকদিন পর, সমীরের জয়ের পার্টি গ্রামের মাঠে। অনেক লোক, কিন্তু সমীরের চোখ পড়ল তার আরেক সমর্থক মেয়ে নেহা আর প্রিয়ার উপর। নেহা ২৩ বছরের, তার পরনে টাইট সালোয়ার, যা তার বড় স্তন আর কোমরকে স্পষ্ট করে। প্রিয়া ২১, তার স্কার্টে তার পা আকর্ষণীয়। পার্টির পর সমীর তাদের ডাকল তার বাড়িতে, "তোদের জন্য স্পেশাল মিষ্টি।"
বাড়িতে গিয়ে দেখল শ্রেয়া আর দিয়া ইতিমধ্যে আছে। নেহা অবাক, "কী হচ্ছে এটা?" দিয়া হাসল, "জয়ের সেলিব্রেশন, বোন।" তারা সবাই কাপড় খুলতে লাগল। সমীর নেহাকে জড়িয়ে ধরল, তার স্তন চাপতে লাগল। নেহার স্তন বড়, নরম। সে আহ করে উঠল, "আহ সমীরদা, এটা ঠিক নয়..." কিন্তু তার যোনি ভিজে গেছে। সমীর তার সালোয়ার খুলে যোনিতে আঙুল দিল, নেহা কাঁপতে লাগল।
প্রিয়া রোহিতের সাথে জুটল, যে আবার এসেছে। রোহিত প্রিয়ার স্কার্ট তুলে তার নিতম্ব চাটতে লাগল। প্রিয়া চিৎকার করল, "আহ দাদা, তোমার জিভটা..." শ্রেয়া আর দিয়া একে অপরকে আদর করছে, শ্রেয়া দিয়ার যোনি চাটছে। সমীর নেহাকে বিছানায় শুইয়ে তার যোনিতে লিঙ্গ ঢোকাল। নেহা ব্যথায় চেঁচাল, "আহ... তোমারটা কী বড়! আস্তে ঢোকাও।" সমীর জোরে ঠাপ দিতে লাগল, নেহার স্তন দুলছে।
রোহিত প্রিয়াকে পিছন থেকে চুদছে, তার নিতম্বে চাপড় মারছে। প্রিয়া হাঁপাতে লাগল, "দাদা... আরও জোরে... ফাটিয়ে দাও আমার গাঁড়টা!" দিয়া উঠে এসে প্রিয়ার মুখে তার যোনি ঘষল, প্রিয়া চাটতে লাগল। শ্রেয়া সমীরের বল চুষছে। ঘরটা আবার কামনার ময়দান। সবাই অদলবদল করতে লাগল—সমীর প্রিয়াকে, রোহিত নেহাকে। নেহা রোহিতের লিঙ্গে উঠানামা করছে, তার বড় স্তন লাফাচ্ছে। "আহ রোহিতদা, তোমারটা আমার ভিতরে পুরো ভরে দিয়েছে... চোদো আমাকে!"
প্রিয়া সমীরের নীচে, তার পা সমীরের কাঁধে। সমীর গভীরে ঢোকাচ্ছে, প্রিয়া চিৎকার করছে, "দাদা... আহ... তোমার ঠাপে আমার গুদ ফেটে যাবে!" শ্রেয়া আর দিয়া ৬৯ পজিশনে, একে অপরের যোনি চাটছে। সবাই অর্গাজমের কাছে এল—প্রথমে নেহা, তারপর প্রিয়া, তারপর শ্রেয়া আর দিয়া। সমীর আর রোহিত বীর্য ছড়াল মেয়েদের শরীরে—মুখে, স্তনে, যোনিতে।
সবাই শুয়ে হাঁপাতে লাগল। সমীর বলল, "এটা আমাদের দলের জয়। ধানের শীষ আরও উঁচুতে উঠবে।" মেয়েরা হাসল, তাদের শরীরে নতুন উত্তেজনা। জয়ের উদযাপন এখন গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল, আর কামনার আগুন জ্বলতে থাকল।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন